✦ আমাদের সম্পর্কে
আমরা ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মুসলিমদের হজ ও ওমরাহ পালনে সহায়তা করে আসছি। আমাদের লক্ষ্য — আপনার পবিত্র যাত্রাকে নিরাপদ, আরামদায়ক ও আধ্যাত্মিকভাবে পরিপূর্ণ করা।
Home › About
কেন আমরা?
আমরা শুধু ট্যুর অপারেটর নই — আমরা আপনার পবিত্র যাত্রার বিশ্বস্ত সঙ্গী।
বাংলাদেশ সরকার ও হজ অফিস কর্তৃক অনুমোদিত নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সি।
প্রতিটি দলের সাথে থাকবেন অভিজ্ঞ আলেম গাইড যিনি সার্বক্ষণিক সহায়তা দেবেন।
গত ১৫ বছরে আমাদের সকল আবেদনকারীর ভিসা সফলভাবে প্রাপ্ত হয়েছে।
বাজারের সেরা মূল্যে সর্বোচ্চ মানের সেবা। কোনো লুকানো চার্জ নেই।
দেশে ও বিদেশে যেকোনো সমস্যায় আমাদের টিম সবসময় আপনার পাশে।
মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর কাছে ৪-৫ স্টার হোটেল।
Page-by-page reader — পুরো PDF viewer একসাথে render না করে প্রয়োজনীয় page-টাই দেখাবে।
শুরু করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন। PDF library এবং PDF তখনই load হবে।
Initial page load-এ PDF request করা হয় নামাসায়েল — বিভাগ ১
ইহরাম পরিধান থেকে তাওয়াফ সম্পন্ন করা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাসায়েল জেনে নিন।
মিকাত অতিক্রম করার আগেই ইহরামের কাপড় পরিধান করে নিয়ত করতে হবে। হজের জন্য বলবেন: “লাব্বাইকা হাজ্জান” এবং ওমরাহর জন্য: “লাব্বাইকা উমরাতান”। নিয়ত মনে মনে করাই যথেষ্ট, মুখে বলা সুন্নত।
ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজসমূহ: (১) সেলাই করা কাপড় পরা (পুরুষের জন্য), (২) মাথা ঢাকা (পুরুষের জন্য), (৩) সুগন্ধি ব্যবহার করা, (৪) চুল বা নখ কাটা, (৫) শিকার করা, (৬) স্ত্রী সহবাস বা এ সংক্রান্ত কোনো কাজ, (৭) ঝগড়া-বিবাদ করা।
তাওয়াফ হলো কাবা শরীফকে সাতবার প্রদক্ষিণ করা। হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) থেকে শুরু করে বাম দিকে কাবাকে রেখে ঘড়ির বিপরীত দিকে প্রদক্ষিণ করতে হবে। তাওয়াফের শর্ত: (১) পবিত্রতা অর্জন করা, (২) সতর ঢাকা, (৩) কাবাকে বাম দিকে রাখা, (৪) মসজিদের ভেতরে থাকা।
মাসায়েল — বিভাগ ২
হজের ফরজ কাজ না করলে হজ বাতিল হয়ে যায়। ওয়াজিব ছুটে গেলে দম (কোরবানি) দিতে হয়।
মাসায়েল — বিভাগ ৩
মহিলাদের হজ পালনে কিছু বিশেষ নিয়ম রয়েছে যা জানা অত্যন্ত জরুরি।
মহিলারা সাধারণ পোশাকেই ইহরাম করতে পারবেন — সেলাই করা কাপড় পরা তাদের জন্য নিষিদ্ধ নয়। তবে মুখমণ্ডল ও হাতের কব্জি ঢাকা থাকা আবশ্যক। ইহরাম অবস্থায় নেকাব পরা যাবে না, তবে পুরুষের সামনে পর্দার জন্য কাপড় ঝুলিয়ে দেওয়া যাবে।
হানাফি মাযহাব অনুযায়ী মহিলাদের জন্য মাহরাম ছাড়া হজে যাওয়া জায়েজ নেই যদি দূরত্ব মাসাফাতে সফর (৭৭ কি.মি.) বা তার বেশি হয়। তবে সৌদি আরবের নতুন নীতি অনুযায়ী ৪৫ বছরের উপরে মহিলারা বিশ্বস্ত দলের সাথে যেতে পারবেন।
হায়েজ অবস্থায় মহিলারা ইহরাম বাঁধতে পারবেন এবং আরাফাতে অবস্থান করতে পারবেন। তবে তাওয়াফ করতে পারবেন না। পবিত্র হওয়ার পর তাওয়াফ করতে হবে। হায়েজের কারণে হজের কোনো ফরজ বা ওয়াজিব বাদ গেলে পরে আদায় করতে হবে।
মাসায়েল — বিভাগ ৪
হজ ও ওমরাহ পালনে প্রায়শই যেসব প্রশ্ন আসে তার উত্তর।
হজ ফরজ হওয়ার শর্ত: (১) মুসলিম হওয়া, (২) বালেগ হওয়া, (৩) সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হওয়া, (৪) শারীরিকভাবে সক্ষম হওয়া, (৫) আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান হওয়া (নিজের ও পরিবারের ভরণপোষণের পর হজের খরচ থাকা), (৬) পথ নিরাপদ হওয়া।
কোনো ব্যক্তি যদি হজ ফরজ হওয়ার পর শারীরিক অসুস্থতা বা মৃত্যুর কারণে হজ আদায় করতে না পারেন, তাহলে তার পক্ষে অন্য কেউ বদলি হজ করতে পারবেন। বদলি হজকারীর নিজের ফরজ হজ আগে আদায় করা থাকতে হবে।
সাঈ হলো সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার হাঁটা। সাফা থেকে মারওয়া যাওয়া এক চক্কর এবং মারওয়া থেকে সাফায় ফেরা আরেক চক্কর। সাফা থেকে শুরু করে মারওয়ায় শেষ করতে হবে। সাঈর আগে তাওয়াফ করা শর্ত।
আমাদের অভিজ্ঞ টিম আপনার হজ ও ওমরাহ যাত্রাকে সহজ, নিরাপদ ও আধ্যাত্মিকভাবে পরিপূর্ণ করে তুলবে।
Share your details and preferred package. Our team will contact you shortly.